বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সফট্ ড্রিংকস্ কোম্পানির বিপণন কর্মকর্তা কর্মচারীদের এই মহামারীতে হাহাকার
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সফট্ ড্রিংকস্ কোম্পানির বিপণন কর্মকর্তা কর্মচারীদের এই মহামারীতে হাহাকার

বাংলাদেশের সফট্ ড্রিংকস্ কোম্পানির মালিকরা আপনারা কি দেশের এই মহামারিতে দেশের এই করুণ অবস্থায় দেশের এই লক-ডাউনের মধ্যে আপনাদের প্রতিষ্টানের কর্মচারীদের কোন খবর নিয়েছেন...??
♥ " বর্তমান বাংলাদেশে সরকারী কর্মচারী এবং সরকারী কর্মকর্তারাই সবচেয়ে বেশি টেনশন মুক্ত আছে....তাদের ডিউটি চলুক আর না চলুক বেতন কিন্তু ঠিকই চলতেছে তাদের... তাদের কোন চিন্তা নেই..তারা নাকে সরিষার তেল দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুম যেতে পারবে... কিন্তু এই করোনা ভাইরাসের মধ্যে বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন যাপন করতেছেন তারা যারা বিভিন্ন সফট্ ড্রিংকস্ কোম্পানিতে কর্মরত আছেন... যেখানে সফট্ ড্রিংকস্ কোম্পানিগুলো ব্যবসা ভালো হওয়া সত্তে ও নির্দিষ্ট মাসের বেতন নির্দিষ্ট সময়ে দিতে পারে না কিংবা ইচ্ছা করে দেয় না তারা এই লক-ডাউনের মধ্যে তো বেতন তো দিবেই না... এমন ও অনেক কর্মর্চারী আছে যারা তাদের কোম্পানির কাছ থেকে ৩ থেকে ৪ মাসের টিএ. ডিএ পাওনা আছে... এসব কর্মচারীদের কথা কোম্পানি কখনো ভাবে না... অথচ যাদের রক্তের বিনিময়ে কোম্পানিগুলো আকাঁশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখে তাদেরকেই মূল্যয়ন করে না কোম্পানিগুলো....

♦ ভালো থাকুক ভালোবাসার সামপান ♦
শুধুমাত্র কোম্পানিকে খুশি করার জন্য... কোম্পানিকে বেশি বেশি লাভ করে দেওয়ার জন্য... কোম্পানির মুখ দেশ এবং বিদেশের মাটিতে উজ্জল করার জন্য... দেশের ভেতর কোম্পানিকে Best Of Number-1 অর্থাৎ ১ নম্বর কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্টিত করার জন্য... যারা কখনো পরিবারকে ঠিকমতো সময় দিতে পারে না... যারা কখনো নিজেকে সময় দিতে পারে না... যারা কখনো আত্নীয়-স্বজনকে সময় দিতে পারে না... ইচ্ছা থাকা সত্তে ও যারা কখনো কোন দেশীয় কিংবা পারিবারিক অনুষ্টানে নিজেদেরকে প্রেজেন্টেশন করতে পারে না... কাউকে ওয়াদা দেওয়া সত্তে ও প্রতি বৃহস্পতিবার আসলে যাদের মনে তুফান শুরু হয়ে যায় এই ভেবে যে শুক্রবারে ও না জানি তাদের কাজ করতে হয়.... যাকে ওয়াদা দেওয়া হয় তার কাছে নিজেদেরকে তখন খুব ছোট মনে হয়... কারণ বাংলাদেশে যারা বিভিন্ন সফট্ ড্রিংকস্ কোম্পানিতে কাজ করে তাদের পক্ষে কাউকে দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে... যারা রমজান এবং কোরবানের ঈদ ছাড়া কখনো ছুটির আশা করতে পারে না... যাদের মনের স্বপ্নগুলো দিনের আলোতে শেষ হয়ে যায়... যারা ঝড়-তুফান-বৃষ্টির মধ্যে ও নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে শুধুমাত্র কোম্পানিকে খুশি করার জন্য দিন-রাত কাজ করে... আফসোস তারাই আজকে কোম্পানিতে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত.... তাদেরকেই কোম্পানি মাসের পর মাস বেতন দেন না..?? তাদেরকেই কোম্পানি মাসের পর মাস টিএ.ডিএ দেন না..?? অথচ মালিকপক্ষ একটিবার ও ভাবে না যে যারা আমাদের জন্য দিনের পর দিন রাতের পর রাত কাজ করতেছে তাদেরকে যে আমরা নির্দিষ্ট সময়ে টিএ.ডিএ এবং বেতন দিচ্ছি না তারা পরিবার সংসার নিয়ে কিভাবে চলতেছে...

যাদের কাজের বিনিময়ে আজকে আমরা এয়ার-কন্ডিশনের হাওয়া খাচ্ছি সেই সব কর্মচারীরা কি অবস্থায় আছে..?? তারা কিভাবে বেঁচে আছে..?? তারা কি খাচ্ছে..?? তারা বাসা ভাড়া দিতে পারতেছে কি না...?? প্রতিটা কোম্পানির মালিক পক্ষকে বলতেছি দয়া করে আপনারা দেশের সামনে দেশের মানুষের সামনে সরকারের কাছে দানশীল ব্যক্তি সাজার আগে আপনার ঘরে যে কেরোসিনের অভাবে আলো নিভে যাচ্ছে দয়া করে তার দিকে তাকান..?? আপনার ঘরের মানুষের যে অভাবে পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে দয়া করে তার দিকে নজর দিন..?? আপনার কোম্পানির কর্মচারী যে নিজেদের আত্ন-সম্মানকে বিসর্জন দিয়ে অন্যে কারো কাছে হাত পাততে পারতেছে না দয়া করে তাদের একটু খোঁজ খবর নি....?? আগে ঘরে চেরাগ দেন তারপর না হয় মসজিদে চেরাগ দিয়েন "....>>>

♥ ভালোবাসার আরেক নাম সামপান ♥
Currently, the most tense people in Bangladesh are those Who are working in various private companies .
